ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ফাঁকা জায়গায় হচ্ছে রমরমা দেহব্যবসা!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ফাঁকা জায়গায় হচ্ছে রমরমা দেহব্যবসা!

শহরের জীবন মানেই দিনরাত ২৪ ঘন্টা ব্যস্ততা। প্রতিটি মানুষই নিজ নিজ কাজে নির্দিষ্ট সময়ে ব্যস্ত থাকেন। কেউ দিনে, আবার কেউ রাতে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রানকেন্দ্র সিটি সেন্টার ও কোট রোডের মধ্যস্থ পুরাতন সুপারমার্কেট এর ফাঁকা জায়গা হচ্ছে রাতের অন্ধকারে রমরমা দেহব্যবসা।

গতকাল (১৫ই সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় দেহব্যবসার কিছু আলামত। এসময় সদর মডেল থানার এএসআই রফিক এর সাথে থাকা ৪-৫ পুলিশ সদস্যের মধ্যরাতের অভিযানে বের হয়ে আসে পুরাতন সুপারমার্কেটের ফাঁকা যায়গায় দেহব্যবসার চিত্র।

যেসব স্থানে দিনে হাজার হাজার মানুষের আনাগোনা, সন্ধ্যা নামলেই সেইসব এলাকা ও অলিগলি হয়ে উঠে জনশূন্য। রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে সেইসব এলাকা হয়ে ওঠে দেহব্যবসা আস্তানা।

একটি অসহায় নারী গোষ্ঠি অন্ধকার সুপার মার্কেটের ফাঁকা জায়গা, পৌর মার্কেটের পিছনে, মুক্তমঞ্চের পিছনে ও কাচারিপাড় পৌরসভার সামনের অন্ধকার রাস্তায় সামান্য টাকায় বিক্রি করেন তাদের দেহ।

মাত্র ১০০-২০০ টাকার বিনিময় এসব অসহায় নারীদের দেহ ভোগ করেন রিশকা ও সিএনজি চালকসহ নিম্নবিত্তরা। এদের সঙ্গে অনেক সময় দেখা যায় মাঝ বয়সী পুরুষসহ মধ্যবিত্তদেরও।

নাম বলতে অনিচ্ছুক নারী যৌনকর্মী বলেন, এছাড়া আর কি করবো। এরআগে এক বাসায় কাজ করতাম। ওই বাসার মালিক প্রতিদিন…।এরপর কাজ ছেড়ে দিয়ে এখানে এসেছি মাস কয়েক হল। এটা না করলে খাব কি? ছেলে সন্তান নিয়ে চলতে হবে তো।

মেরিনা নামে টোকাই ও সিটি সেন্টার মার্কেটের দারোয়ানের সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন রাত ১১টায় পর থেকে রিকশা চালক খদ্দররা একেরপর একজন আসে। ২-৩জন মহিলা রাতের অন্ধকারের দেহব্যবসার সাথে জড়িত। এভাবে সারারাত দেহব্যবসা চলতে থাকে৷ এখানে বড়লোকের ছেলেরাও আসে। তাদেরকে কিছু বললে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।দারোয়ান বলেন, আমি প্রতিদিন না করি কিন্তু তারা আমার কথা শোনেন না। আরও হুমকি দেয় মেরে ফেলবে।

See also  উদ্ধারের পর আবারো ফিরে গেলেন যৌনপল্লীতে

সদর মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম দেহব্যবসা বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে বলেন, ওইখান থেকে টেলিফোন যোগে জানালে পুলিশ পাঠানোর পর কাউকে পাওয়া যায়নি। এখন থেকে প্রতিদিন রাতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Source:: https://brahmanbariatimes.com/